বৃদ্ধ পিতা-মাতার জন্য এবার সুরক্ষা-নিরাপত্তার ব্যবস্থাও
কাজকেরিয়ার অনলাইন নিউজ ডেস্ক : পিতা-মাতাকে না দেখলে এবার জেল ও জরিমানা। সূত্রের খবর, এই সংক্রান্ত বিষয়ে আইন আনতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। অন্যদিকে ১৮ দিনে ২০টি বিল এবং ১১টি অর্ডিন্যান্স। এতগুলি বিল ও অর্ডিন্যান্স পাশ করানোর সিদ্ধান্ত একপ্রকার নজিরবিহীন। উল্লেখ্য, যে-কোনও বিল বা অর্ডিন্যান্স পাশ করানোর প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে অনেক সময় ব্যয় হয় আলোচনা ও ভোটাভুটির কারণে। একটি বিল লোকসভায় পাশ করানোর পর নিয়ম মেনে তা পৌঁছে যায় রাজ্যসভায়।
একইভাবে আলোচনা ও ভোটাভুটি হয়ে থাকে। সূত্রের আরও খবর, আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া সংসদের বাদল অধিবেশনে সব মিলিয়ে ৩১টি বিল ও অধ্যাদেশ পাশ করানোর প্রচেষ্টা রয়েছে। তবে বিষয়টি নিয়ে সরব বিরোধীরা। এক্ষেত্রে এছাড়া উপায় নেই বলে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সংসদীয় মন্ত্রক সূত্রের খবর, করোনা পরিস্থিতিতে সংক্রমণ বেড়ে চলেছে। শীতকালীন অধিবেশন এ বছর হওয়া সম্ভব হবে কি না, তা নিয়েও সংশয়। সংক্রমণের প্রবণতা এমন থাকলে আসন্ন ১৮ দিনের অধিবেশনই সম্ভবত হতে চলেছে এ বছরের সর্বশেষ সংসদীয় সভা।
করোনা সংক্রমণ জোরালো না হলে শীতকালীন অধিবেশন স্বল্প দিনের জন্য ডাকা হতে পারে। তবে এখনও তা পরিষ্কার নয়। বকেয়া ৩১টি বিল ও অধ্যাদেশ এই অধিবেশনে পাশ করাতে প্রত্যয়ী কেন্দ্র, এমনটা মনে করছেন রাজনৈতিক মহল। এবার যেসব বিলগুলি পাশ করানোর জন্য সরকার উদ্যোগী হয়েছে তার মধ্যে অন্যতম হল- মেন্টেন্যান্স অ্যান্ড ওয়েলফেয়ার অব পেরেন্টস অ্যান্ড সিনিয়র সিটিজেন্স (সংশোধনী) বিল। এই বিলটি বহু চর্চিত। এক্ষেত্রে বলা হয়েছে, এই বিলের সংশোধনীর মাধ্যমে বৃদ্ধ ও আর্থিকভাবে দুর্বল পিতা-মাতার প্রতি সন্তান ও নাতি-নাতনিরা দায়িত্ব পালন না করলে প্রায় ৫ হাজার টাকার জরিমানা ও জেল হবে।
এর আগে এই বিলের অন্তর্গত ছিল- শুধু আর্থিকভাবে অবহেলা করা হলে তাহলেই আইনি শাস্তি পাওয়ার বিষয়টি। এবার সংশোধনীর মাধ্যমে নতুন করে আইনে অন্তর্ভুক্ত রাখা হয়েছে সুরক্ষা ও নিরাপত্তার ব্যবস্থাও। বৃদ্ধ বাবা-মায়ের জন্য সেই ব্যবস্থাও করতে হবে। শুধু টাকা পাঠিয়ে সব দায় থেকে অব্যাহতি মিলবে না। ওই বিলে আরও বলা হয়, প্রতিটি থানায় সিনিয়র সিটিজেনদের জন্য একজন করে নোডাল পুলিশ অফিসার থাকতে হবে।

